মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

অফিস সম্পর্কিতঃ

জ্ঞাননির্ভর অর্থনীতি ও প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে কোন জাতির উন্নয়নে সাক্ষরতার বিকল্প নেই। শিক্ষা জ্ঞান অর্জনের মূল ভিত্তি। আর সাক্ষরজ্ঞান এর প্রাথমিক সোপান। তাই দেশকে নিরক্ষরমুক্ত করার লক্ষ্যে প্রথমত: শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে সম্প্রসারিত করে আলাদাভাবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিভাগ গঠন করা হয়। এই বিভাগের অধীনে ১৯৯২ সনে সমন্বিত উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা বিস্তার কার্যক্রম (ইনফেপ) নামে একটি বৃহৎ প্রকল্প গঠন করা হয়। এ প্রকল্পের অভাবনীয় সাফল্যের ধারাবাহিকতায় ১৯৯৫ সালে ইনফেপ-কে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা অধিদপ্তরে রূপান্তর করা হয় এবং প্রতিটি জেলা পর্যায়ের কালেক্টরেট ভবনে জেলা কো-অর্ডিনেটরের কার্যালয় স্থাপন করা হয়। ২০০৩ সনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিভাগের নাম পরিবর্তন করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় নামকরণ করা হয়। ২০০৫ সনের ১৭ এপ্রিল এ উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা অধিদপ্তরের স্থলে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো গঠন করা হয় এবং জেলা পর্যায়ে জেলা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর সহকারী পরিচালকের কার্যালয় নামে অভিহিত করা হয়। উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কর্মসূচী বাস্তবায়নের জন্য সরকার ২০০৬ সালে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষানীতি প্রণয়ন করেছে। পরবর্তীতে ২০১৪ সালে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো নামে আলাদা ভাবে একটি বোর্ডও গঠন করে। তাছাড়া  SDG-4 এবং 7th Five Year Plan বাস্তবায়নের লক্ষ্যে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা সাব-সেক্টর কর্মসূচির আওতায় ৬৪ জেলায় ৬৪টি জীবিকায়ন ও জীবনব্যাপী শিখন কেন্দ্র নির্মাণ এবং দেশের প্রতিটি ইউনিয়নসহ অন্যান্য স্থানে ৫০২৫টি স্থায়ী কমিউনিটি লার্নিং সেন্টার (সিএলসি) নির্মাণের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। উক্ত ৬৪টি জীবিকায়ন ও জীবনব্যাপী শিখন কেন্দ্র নির্মাণের লক্ষ্যে জেলা সদরের অর্নূদ্ধ ২০ কিলোমিটারের মধ্যে ভাল যোগাযোগ সম্পন্ন ৩ থেকে ৩.৫ একর জমি এবং প্রতিটি ইউনিয়নে ১টি স্থায়ী কমিউনিটি লার্নিং সেন্টাররের জন্য ভাল যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পন্ন ১ থেকে ১.৫ বিঘা জমির ক্রয়/অধিগ্রহণের কাজ প্রক্রিয়াধীন অবস্থায় রয়েছে।

ছবি

defaultpic.jpg defaultpic.jpg


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter