মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাঃ

বর্তমান সরকার দেশের শিক্ষা, সাক্ষরতা ও দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। বিশেষ করে রূপকল্প ২০২১, গ্লোবাল SDGs ও সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশ থেকে নিরক্ষরতা দূরীকরণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ।  সে লক্ষ্যে সরকার বিদ্যালয় বহির্ভূত শিশু-কিশোরদের ‘মৌলিক সাক্ষরতা প্রকল্প (৬৪ জেলা)’ শীর্ষক প্রকল্পের বাস্তবায়ন নিঃসন্দেহে একটি চ্যালিঞ্জিং কাজ হাতে নিয়েছে। এ প্রকল্প বাস্তবায়নের সাথে পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষভাবে জড়িত রয়েছে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা, প্রেসার গ্রুপ, অংশীজন, উন্নয়্ন সহযোগী, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ, স্থানীয় জনগণ, সরকারি কর্মকর্তা/জনপ্রশাসন, শিক্ষক সম্প্রদায়, সমাজসেবী, সর্বোপরি লক্ষ্য নিরক্ষর জনগোষ্ঠী এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার কাঠামোর উন্নয়ন, অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌছার সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ। তাই উক্ত প্রকল্পটি শুরুর পর থেকে ধারাবাহিক ভাবে ৪(চার) বছর ব্যাপী চলবে। এ প্রকল্পের আওতায় ১৫-৪৫ বছর বয়সী ৪৫ লক্ষ নিরক্ষর নারী পুরুষকে মৌলিক সাক্ষরতা প্রদান করা হবে। দেশের ৬৪ জেলার ২৫০টি বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে ৪টি পর্যায়ে কর্মসূচি বাস্তবায়ন করার পরিকল্পণা বর্তমান সরকারের রয়েছে। তাছাড়া সেকেন্ড চান্স এডুকেশন প্রোগ্রামের মাধ্যমে সাড়াদেশে প্রাথমিক শিক্ষা থেকে ঝড়ে পড়া শিক্ষার্থীদেরকে শিক্ষা দিয়ে সাক্ষরতার হাড় বৃদ্ধি করা হবে।

বর্তমানে টেকসেই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রায়  SDG-4 এবং 7th Five Year Plan বাস্তবায়নের লক্ষ্যে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা সাব-সেক্টর কর্মসূচির আওতায় ৬৪ জেলায় ৬৪টি জীবিকায়ন ও জীবনব্যাপী শিখন কেন্দ্র নির্মাণ এবং দেশের প্রতিটি ইউনিয়নসহ অন্যান্য স্থানে ৫০২৫টি স্থায়ী কমিউনিটি লার্নিং সেন্টার (সিএলসি) নির্মাণের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। উক্ত ৬৪টি জীবিকায়ন ও জীবনব্যাপী শিখন কেন্দ্র নির্মাণের লক্ষ্যে জেলা সদরের অর্নূদ্ধ ২০ কিলোমিটারের মধ্যে ভাল যোগাযোগ সম্পন্ন ৩ থেকে ৩.৫ একর জমি এবং প্রতিটি ইউনিয়নে ১টি স্থায়ী কমিউনিটি লার্নিং সেন্টাররের জন্য ভাল যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পন্ন ১ থেকে ১.৫ বিঘা জমির ক্রয়/অধিগ্রহণের কাজ প্রক্রিয়াধীন অবস্থায় রয়েছে।

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter